ঢাকা ০৯:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্রীমঙ্গলে ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ,নিউজ করলেও কিছু যায় আসে না—অভিযোগে সার্জেন্ট

  • প্রতিনিধি নাম
  • প্রকাশিত সময় : ০৪:৩৩:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • ৩৭১ টাইম ভিউ
388

ইমরান হোসেন,শ্রীমঙ্গল:মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরে ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্বে অবহেলা ও কাগজপত্র যাচাইয়ের নামে চাঁদাবাজির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। শহরের ব্যস্ততম হবিগঞ্জ রোডের ভূমি অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে নিয়মিতভাবে যানবাহন থামিয়ে কাগজপত্র দেখার অজুহাতে চালকদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন থামান। অনেক চালকের দাবি, বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও নানা অজুহাতে তাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে টাকা আদায় করা হচ্ছে।
একাধিক সিএনজি ও অটোরিকশা চালক জানান, “সব কাগজ ঠিক থাকলেও অযথা আটকে রাখা হয়। পরে টাকা দিলে ছেড়ে দেওয়া হয়।”
অভিযোগের বিষয়ে ট্রাফিক সার্জেন্ট রুয়েলের বিরুদ্ধে আরও গুরুতর তথ্য উঠে এসেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিনি কাগজপত্র যাচাইয়ের কথা বলে গাড়ি আটক করলেও তার অন্য এক সহকর্মীর মাধ্যমে চালকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পরে গাড়ি ছেড়ে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রাফিক সার্জেন্ট রুয়েল বলেন, “নিউজ করলে কিছু যায় আসে না। যান, পারলে নিউজ করেন।”
এদিকে, বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা বলছেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে এবং সাধারণ মানুষকে হয়রানির মুখে ফেলছে।
এ বিষয়ে শ্রীমঙ্গল ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মামুন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “বিষয়টি আমি দেখছি।”
সচেতন মহল মনে করছেন, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় এ ধরনের অনিয়ম অব্যাহত থাকলে জনমনে অসন্তোষ আরও বাড়বে। স্থানীয়রা এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয়

শ্রীমঙ্গলে আইনি প্রক্রিয়ায় নিলামে কেনা জমির দখল নেওয়ার পাঁয়তারা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

শ্রীমঙ্গলে ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ,নিউজ করলেও কিছু যায় আসে না—অভিযোগে সার্জেন্ট

প্রকাশিত সময় : ০৪:৩৩:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
388

ইমরান হোসেন,শ্রীমঙ্গল:মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরে ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্বে অবহেলা ও কাগজপত্র যাচাইয়ের নামে চাঁদাবাজির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। শহরের ব্যস্ততম হবিগঞ্জ রোডের ভূমি অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে নিয়মিতভাবে যানবাহন থামিয়ে কাগজপত্র দেখার অজুহাতে চালকদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন থামান। অনেক চালকের দাবি, বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও নানা অজুহাতে তাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে টাকা আদায় করা হচ্ছে।
একাধিক সিএনজি ও অটোরিকশা চালক জানান, “সব কাগজ ঠিক থাকলেও অযথা আটকে রাখা হয়। পরে টাকা দিলে ছেড়ে দেওয়া হয়।”
অভিযোগের বিষয়ে ট্রাফিক সার্জেন্ট রুয়েলের বিরুদ্ধে আরও গুরুতর তথ্য উঠে এসেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিনি কাগজপত্র যাচাইয়ের কথা বলে গাড়ি আটক করলেও তার অন্য এক সহকর্মীর মাধ্যমে চালকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পরে গাড়ি ছেড়ে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রাফিক সার্জেন্ট রুয়েল বলেন, “নিউজ করলে কিছু যায় আসে না। যান, পারলে নিউজ করেন।”
এদিকে, বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা বলছেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে এবং সাধারণ মানুষকে হয়রানির মুখে ফেলছে।
এ বিষয়ে শ্রীমঙ্গল ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মামুন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “বিষয়টি আমি দেখছি।”
সচেতন মহল মনে করছেন, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় এ ধরনের অনিয়ম অব্যাহত থাকলে জনমনে অসন্তোষ আরও বাড়বে। স্থানীয়রা এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।