ঢাকা ০৬:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
দলীয় পদ থেকে অব্যাহতির পরও রাজপথে অনড়

কমলগঞ্জ পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে তৃণমূলের আস্থা গোলাম কিবরিয়া শফি

  • প্রতিনিধি নাম
  • প্রকাশিত সময় : ০৪:৫৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৪১ টাইম ভিউ
167

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি: “যারা রাজপথ থেকে তৈরি হয় তারা কোনো দিন ধ্বংস হয় না,সুতরাং যারাই ধ্বংস করতে চাইবে তারাই ধ্বংস হবে”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রচারণায় সরব রয়েছেন তৃণমূলের প্রিয় মুখ, জননেতা গোলাম কিবরিয়া শফি।

অতি সম্প্রতি কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই সদ্য নির্বাচিত সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

তবে এই অন্যায্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দলীয় পদ অব্যাহতির পরও তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে আসন্ন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন তিনি।

কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক একাধিক বারের সফল চেয়ারম্যান এবং কমলগঞ্জ পৌর বণিক সমিতির সভাপতি শফিকে এবার পৌরবাসী মেয়র হিসেবে দেখতে চান।

তিনি কমলগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হিসেবে যুব রাজনীতি থেকে বিদায় নেন।

এরপর তৃণমূলের সমর্থনে পর পর দুই বার কমলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে দুই বার সভাপতি নির্বাচিত হয়ে সফলতার সাথে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।

দলীয় সূত্র ও স্থানীয়রা জানান, কমলগঞ্জ বিএনপিকে সুসংগঠিত ও রাজপথে টিকিয়ে রাখতে তিনি ৩ বার ডিটেনশনসহ ১১ বার কারাবরণ করেছেন।

এছাড়াও ২৯টি রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন এবং একবার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শত জুলুম-নির্যাতনের পরও তিনি কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি।

তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের কাছে তিনি কমলগঞ্জ বিএনপির এক জ্বলন্ত উদাহরণ। কিন্তু সম্প্রতি সদ্য নির্বাচিত এমপির একক প্রতিহিংসার কারণে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই তাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সাধারণ ভোটারদের মতে, রাজপথের লড়াকু এই নেতাকে অন্যায়ভাবে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে জনগণের মন থেকে দূরে রাখা যাবে না, কারণ তিনি জনগণের হৃদয়ে আছেন।রাজনীতির পাশাপাশি গোলাম কিবরিয়া শফি এলাকার একটি ঐতিহ্যবাহী ও দানশীল পরিবারের সন্তান।

কমলগঞ্জ উপজেলায় তাদের পরিবারের দান করা জমি ও অর্থায়নে হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ, রেলওয়ে স্টেশন, পৌর বাজার এবং একাধিক মসজিদ গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে বহুল পরিচিত ‘সফাত আলী সিনিয়র মাদ্রাসা’সহ প্রায় ১১টি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে।ব্যক্তিগত জীবনে একজন ন্যায় বিচারক, সদা সত্যবাদী ও সরল মানুষ হিসেবে এলাকায় তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

স্থানীয় পৌরবাসীর মতে, কমলগঞ্জ পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন, সুশাসন নিশ্চিত করতে এবং সকল রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের জবাব দিতে গোলাম কিবরিয়া শফির মতো একজন সৎ ও রাজপথের লড়াকু সৈনিকের বিকল্প নেই।

আসন্ন পৌর নির্বাচনে তাকে বিজয়ী করতে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ইতিমধ্যে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রচারণা শুরু করেছেন।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয়

শ্রীমঙ্গলে আইনি প্রক্রিয়ায় নিলামে কেনা জমির দখল নেওয়ার পাঁয়তারা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

দলীয় পদ থেকে অব্যাহতির পরও রাজপথে অনড়

কমলগঞ্জ পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে তৃণমূলের আস্থা গোলাম কিবরিয়া শফি

প্রকাশিত সময় : ০৪:৫৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
167

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি: “যারা রাজপথ থেকে তৈরি হয় তারা কোনো দিন ধ্বংস হয় না,সুতরাং যারাই ধ্বংস করতে চাইবে তারাই ধ্বংস হবে”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রচারণায় সরব রয়েছেন তৃণমূলের প্রিয় মুখ, জননেতা গোলাম কিবরিয়া শফি।

অতি সম্প্রতি কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই সদ্য নির্বাচিত সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

তবে এই অন্যায্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দলীয় পদ অব্যাহতির পরও তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে আসন্ন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন তিনি।

কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক একাধিক বারের সফল চেয়ারম্যান এবং কমলগঞ্জ পৌর বণিক সমিতির সভাপতি শফিকে এবার পৌরবাসী মেয়র হিসেবে দেখতে চান।

তিনি কমলগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হিসেবে যুব রাজনীতি থেকে বিদায় নেন।

এরপর তৃণমূলের সমর্থনে পর পর দুই বার কমলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে দুই বার সভাপতি নির্বাচিত হয়ে সফলতার সাথে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।

দলীয় সূত্র ও স্থানীয়রা জানান, কমলগঞ্জ বিএনপিকে সুসংগঠিত ও রাজপথে টিকিয়ে রাখতে তিনি ৩ বার ডিটেনশনসহ ১১ বার কারাবরণ করেছেন।

এছাড়াও ২৯টি রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন এবং একবার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শত জুলুম-নির্যাতনের পরও তিনি কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি।

তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের কাছে তিনি কমলগঞ্জ বিএনপির এক জ্বলন্ত উদাহরণ। কিন্তু সম্প্রতি সদ্য নির্বাচিত এমপির একক প্রতিহিংসার কারণে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই তাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সাধারণ ভোটারদের মতে, রাজপথের লড়াকু এই নেতাকে অন্যায়ভাবে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে জনগণের মন থেকে দূরে রাখা যাবে না, কারণ তিনি জনগণের হৃদয়ে আছেন।রাজনীতির পাশাপাশি গোলাম কিবরিয়া শফি এলাকার একটি ঐতিহ্যবাহী ও দানশীল পরিবারের সন্তান।

কমলগঞ্জ উপজেলায় তাদের পরিবারের দান করা জমি ও অর্থায়নে হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ, রেলওয়ে স্টেশন, পৌর বাজার এবং একাধিক মসজিদ গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে বহুল পরিচিত ‘সফাত আলী সিনিয়র মাদ্রাসা’সহ প্রায় ১১টি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে।ব্যক্তিগত জীবনে একজন ন্যায় বিচারক, সদা সত্যবাদী ও সরল মানুষ হিসেবে এলাকায় তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

স্থানীয় পৌরবাসীর মতে, কমলগঞ্জ পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন, সুশাসন নিশ্চিত করতে এবং সকল রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের জবাব দিতে গোলাম কিবরিয়া শফির মতো একজন সৎ ও রাজপথের লড়াকু সৈনিকের বিকল্প নেই।

আসন্ন পৌর নির্বাচনে তাকে বিজয়ী করতে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ইতিমধ্যে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রচারণা শুরু করেছেন।