কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুরে ইভটিজিংয়ের শিকার হয়ে নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মীম আক্তার (১৫) এর আত্মহত্যার ঘটনার ২২ দিন অতিবাহিত হলেও মূল আসামি সানোয়ার মিয়াকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এর প্রতিবাদে এবং আসামির দ্রুত বিচার দাবিতে আজ ১১ জুন (বৃহস্পতিবার) মাধবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এক বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও এলাকাবাসী।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুরে ইভটিজিংয়ের শিকার হয়ে নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মীম আক্তার (১৫) এর আত্মহত্যার ঘটনার ২২ দিন অতিবাহিত হলেও মূল আসামি সানোয়ার মিয়াকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এর প্রতিবাদে এবং আসামির দ্রুত বিচার দাবিতে আজ ১১ জুন (বৃহস্পতিবার) মাধবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এক বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও এলাকাবাসী।
মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মীম আক্তার নিহত হওয়ার দীর্ঘ ২২ দিন পার হয়ে গেলেও পুলিশ মূল আসামিকে আইনের আওতায় আনতে পারেনি। অবিলম্বে অপরাধীকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তারা।
উক্ত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন—মাধবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সোবহান,নিহত মীমের বাবা মনির মিয়া,মীমের বোন সোহানা আক্তার,মীমের সহপাঠী ও বান্ধবী শরিফা আক্তার।
পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাধবপুর ইউনিয়নের কাটাবিল গ্রামের সানোয়ার মিয়া স্কুলে যাতায়াতের পথে মীমকে নিয়মিত উত্ত্যক্ত করতেন। বিভিন্ন সময়ে তাকে তীব্র মানসিক নির্যাতন ও চাপ সৃষ্টি করা হতো। এই নির্মম নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে একপর্যায়ে মীম বিষপান করে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে গত ২২ মে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এলাকাবাসী ও সহপাঠীদের দাবি, ইভটিজার সানোয়ারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যেন আর কোনো ঝরে পড়া প্রাণ দেখতে না হয়। এই বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকরী পদক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
প্রতিনিধি নাম 









